শেষ শ্রদ্ধায় প্রতীক চৌধুরী

দেশ ও এইসময়,অমৃতা ঘোষ :

সঙ্গীত জগতের আরেক নক্ষত্র-পতন। ১৯-এ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রতীক চৌধুরী এবং বাড়ির সামনের রাস্তায় আচমকাই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সেই অবস্থায় তাকে সেখান থেকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল অ্যাপোলো- এ নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তাকে এমার্জেন্সি-তে নিয়ে আসা হয় এবং রাত আটটা চারে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সমগ্র সঙ্গীত জগত। সঙ্গীত শিল্পী লোপামুদ্রা মিত্র বলেছেন-

“প্রতীকদা এত উদ্যোগ নিয়ে এক একটা অনুষ্ঠান করতেন, আমাদের সঙ্গে গাইতেন যে, ওই মানুষটা আর নেই বিশ্বাস হচ্ছে না। ক’দিন আগেও দেখা হওয়ার আমায় বলছিল, একটা অনুষ্ঠান আছে, গলাটা খারাপ। তুই যে ওষুধটা খাস ওটার নাম বল তো”

শুধু লোপামুদ্রাই নয়, প্রতীক চৌধুরী’র সাথে খুব কাছের সম্পর্ক ছিল শ্রীকান্ত আচার্যের’ও। প্রতীক চৌধুরী’র মৃত্যুতে তিনি বলেছেন –

“খারাপ লাগছে ওর ছেলের জন্যে। ওর আইএসসি শুরু হয়েছে। মেয়েও এসেছে হায়দ্রাবাদ থেকে। ১৯৮২ সাল থেকে প্রতিকের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছি।তখন ও গজল-ভজন গাইত। অনুপ জাটোলার বিরাট ভক্ত ছিলো”

পন্ডিত সলিল চৌধুরীর হাতে গড়া ছাত্র সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্রের সাথে প্রতীক চৌধুরী’র সম্পর্কটা ছিল দাদা-ভাইয়ের মতো, তিনি বলেছেন-

” বিজ্ঞাপনে আমার সুরে দু’শরও বেশি গান গেয়েছে ও। ওর স্ত্রী বৈশাখীও খুব ভালো গান গায়। তবে প্রতীকের মতো প্রফেশনালি গানটাকে নেয়নি। সংসার আগলেছে। স্ত্রী,ছেলে,মেয়েকে রেখে বড্ড তারাতারি চলে গেল

সঙ্গীত জগতের শোকের ছায়ায় শেষ শ্রদ্ধায় প্রতীক চৌধুরী

দেশ ও এই সময়

24×7 NATIONAL NEWS PORTAL

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *