সংকটে লক্ষণ শেঠের রাজনৈতিক জীবন

এর ফলে লক্ষ্মণ শেঠের রাজনৈতিক জীবন আরও বিপাকে পড়ে গেল। একসময় সিপিএমের প্রবল প্রতাপশালী নেতা ছিলেন। সেই নেতাই নন্দীগ্রাম কাণ্ডের পর সিপিএমের কোণঠাসা হয়ে পড়লেন। সিপিএম ছেড়ে পৃথক মঞ্চ গড়লেন। যোগ দিলেন বিজেপিতে। তবু পসার জমাতে পারলেন না। এখন বিজেপি ছেড়ে তিনি সব কূল হারালেন।মমতা বলেন, নন্দীগ্রামে কীসের সূর্যোদয় হয়েছিল? তা আমরা ভুলিনি। ভুলিনি নন্দীগ্রামে গুলি চালানোর নেপথ্য নায়কদেরও। তাঁরা আজ কোথায়, কোন দলে নাম লিখিয়েছে, তা নিশ্চয়ই বলে বোঝাতে হবে না, তাঁদেরকে সমর্থন করবেন? পূর্ব মেদিনীপুরের বাজকূলে প্রশাসনিক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ভাষাতেই সতর্ক করলেন।মমতার কথায়, সিপিএমের হার্মাদরাই এখন আশ্রয় নিয়েছে বিজেপি শিবিরে। ওঁদের নিয়েই বাড়বাড়ন্ত শুরু করেছেন বিজেপি। শুধু লাল জামা খুলে গেরুয়া জার্সি পরে নিয়েছে ওঁরা। ওঁদেরকে বিশ্বাস করবেন না। একবার ভাবুন, রাজ্যে আপনাদের সরকার রয়েছে। তৃণমূল সরকার সদা ব্যস্ত মানুষের পরিষেবায়। যাবতীয় জনমুখী প্রকল্প নিয়ে সদা-সর্বদা সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে।

নন্দীগ্রাম কাণ্ডের পিছনে যিনি আছেন, তাঁর কোনও ঠাইঁ নেই তৃণমূলের। পূর্ব মেদিনীপুরের বাজকূলে প্রশাসনিক জনসভা থেকে সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন নাম না করেই লক্ষ্মণ শেঠকে চরম বার্তা দেন। তাঁর সাফ কথা, নন্দীগ্রামে কীসের সূর্যোদয় হয়েছিল? তা আমরা ভুলিনি। ভুলিনি নন্দীগ্রামে গুলি চালানোর নেপথ্য নায়কদেরও।

দেশ ও এই সময়

24×7 NATIONAL NEWS PORTAL

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *