ইছামতি মহাশ্মশান সংলগ্ন ইছামতি নদীর পাড়ে সৌন্দর্য করন

সৈয়দ রেজওয়ানুল হাবিবঃ স্বরূপনগর ব্লকের তেতুলিয়াতে ইছামতি মহাশ্মশান সংলগ্ন চত্বরে যমুনা মন্দির , জগন্নাথ দেবের মন্দির, শীতলা মায়ের মন্দির, মা কালী মন্দির .শনি মন্দির, শিব ঠাকুর মন্দির, রাজা হরিশচন্দ্র মন্দির, হনুমান মন্দির অবস্থিত ।এই সব মন্দিরে স্থানীয়দের সাথে বহু দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা দেব দেবী দর্শনে মন্দির চত্বরে এসে ভিড় জমায়৷ প্রতিবছর এখানে মাঘী পূর্ণিমা তিথির উপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় কালচারাল প্রোগ্রাম করা হয়ে থাকে ৷ওই সময় জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সর্ব সাধারণ মানুষ এখানে ভিড় জমায় |দুর্গাও কালী পূজার ভাসান উপলক্ষে ইছামতীর পাড়ে এখানে মহা মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয় প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে তখন ৷ রথযাত্রা উৎসব পালিত হয় প্রতিবছর মহা ধুমধামের সাথে সপ্তাহকাল ব্যাপী মেলার আয়োজন করে থাকে সংশ্লিষ্ট কমিটি৷ মাসের প্রতি শনিবার এখানে বড় ঠাকুর শনির পূজা হয় ,বিশেষ করে পৌষ মাস, মাঘ মাস ভাদ্র মাস এবং বৈশাখ মাসের বড় ঠাকুরের পূজায় অংশগ্রহণের জন্য বহু দূর-দূরান্ত থেকে মায়েরা পূজার ডালি সাজিয়ে এখানে আসে ৷বহু মানুষের সমাগম হয় তখন সব মিলিয়ে এই ইছা মতির মহাশ্মশান চত্বর এলাকার মানুষের কাছে খুবই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে ৷সেই দিকে খেয়াল রেখেই ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার জেলা পরিষদের হাত দিয়ে এই ইছামতি মহাশ্মশান টি আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন চুল্লি ৩৪লক্ষ টাকা বরাদ্দের উপর দাঁড়িয়ে নির্মাণ কাজ শেষ করেছে ৷বিশেষ করে দুর্গা ও কালী পূজার ভাসানের মুহূর্তগুলি স্বাচ্ছন্দে কাটানো যায় তার জন্য স্থানীয়দের দাবি মেনেই জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শ্রী নারায়ন গোস্বামী হাত ধরে এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহযোগিতায় ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দে ৩০ ফুট বাই ৩০ ফুট তেতুলিয়া ইছামতি মহাশ্মশান সংলগ্ন ইছামতি নদীর পাড়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বসিরহাট মহকুমা সেচ দপ্তরের মাধ্যমে প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য সাত লক্ষ পচিশ- হাজার টাকা পাকা ঘাট নির্মাণের অনুমোদন দেয়, যার শুভসূচনা হলো আজ। সূচনা করলেন জেলা পরিষদ এর পূর্ত পরিবহন স্থায়ী সমিতির কর্মদক্ষ শ্রী নারায়ন গোস্বামী৷

দেশ ও এই সময়

24×7 NATIONAL NEWS PORTAL

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *