আজও মেলে হলুদ টিকিট “ সংহতি” স্টেশনে

ধনঞ্জয় বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগণা: হাবরা থেকে মসলন্দপুর এর দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। মাঝে বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা বসবাস করেন। এলাকায় সড়ক পরিষেবা সেভাবে এখনো গড়ে ওঠেনি। আজ থেকে কয়েকবছর আগে তাই এলাকার মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামেন। দাবি ওঠে রেলস্টেশন করার। রেল সাধারণ মানুষের সঙ্গবদ্ধ আন্দোলনকে মান্যতা দিয়ে রেল স্টেশন করার সিদ্ধান্ত নেয় নব্বইয়ের দশকে। ১৯৯০ সালে তৈরি হয় সংহতি রেলস্টেশন। স্টেশনটি বনগাঁ শিয়ালদহ শাখার হাবরা ও মসলন্দপুর এর মাঝে অবস্থিত। ২৯ বছর আগে এই স্টেশনটি তৈরি হলেও আজও এই স্টেশনে আসেনি কোন আধুনিকতার ছোঁয়া আজও মান্ধাতার আমলের হলুদ টিকিট পাওয়া যায় এই স্টেশন থেকে। নেই কোন ডিজিটাল কম্পিউটার পরিষেবা। শুধুমাত্র ঝাঁ-চকচকে নামেই মাত্র স্টেশন। স্টেশন প্লাটফর্ম দোকানপাট খুব একটা বেশি নেই ঠিকই কিন্তু প্রায় কয়েক হাজার মানুষ নির্ভর করে এই সংহতি স্টেশনের উপর। মান্থলি টিকিট বা রিটার্ন টিকিট কাটার ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হয় নিত্যযাত্রীদের। সবকটি স্টেশনের টিকিটও সেই অর্থে পাওয়া যায় না, তাই কখনো কখনো যাত্রীদের মাঝপথে ট্রেন থেকে নেমে আবার টিকিট কাটতে হয়। বেশ কিছু রেল স্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন না দাঁড়ানোই অধিকাংশ সময়ে সমস্যায় পড়েন ছাত্র ছাত্রী সহ নিত্যযাত্রীরা। সুরক্ষার প্রশ্নেও এই স্টেশন প্রশ্নের মুখে, বেশিরভাগ যাত্রীরাই দাবি করেন তারা কখনোই কোনো রেলপুলিশকে স্টেশনের আশেপাশে দেখেন না।

এক যাত্রী জানান, এই স্টেশনে অবিলম্বে কম্পিউটারাইজড পরিষেবা চালু করা উচিত। উচ্চ তার সাথে সাথে সমস্ত ট্রেন এই স্টেশনে দাঁড়ালে সকল নিত্যযাত্রীরা উপকৃত হবেন।

দেশ ও এই সময়

24×7 NATIONAL NEWS PORTAL

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *