পুতুলের বিয়েকে কেন্দ্র করে বৃহৎ অনুষ্ঠানের চেহারা নিলো সন্দেশখালির ঝুপখালিতে

নিজস্ব সংবাদদাতা-পুতুলের বিয়েকে কেন্দ্র করে বৃহৎ অনুষ্ঠানের চেহারা নিলো সন্দেশখালির ঝুপখালিতে। দুই নবম শ্রেণির ছাত্রীর ইচ্ছেতেই ঘটলো এমন চমৎকার কান্ড। বেড়মজুরের অঙ্কিতা দাস ও ঝুপখালির বিউটি দাস দুজনেই শিমুলহাটি ফুলমনি আদর্শ বিদ্যামন্দির(উঃমাঃ) স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুল থেকে ফিরে বিকেলে গৃহশিক্ষকের কাছে বিউটি দের বাড়ি পড়তে যায় তারা। গৃহশিক্ষক প্রদীপ্ত সরকার দরজা খুলেই অবাক, প্রতিদিন যেখানে ছাত্র-ছাত্রী রা ওই সময় পড়াশোনা করে হটাৎ সেখানে বিয়ের মন্ডপ। তিনি এমন কান্ড দেখে বকাবকি করতে থাকেন কিন্তু সবার অনুরোধে বিষয়টি মেনে নেন এবং তাকে ছাত্র-ছাত্রীরা বাধ্য করে থাকতে। অঙ্কিতার পুতুল বর ও বিউটির পুতুল বউ এর বিয়ে সমস্ত নিয়ম কানন মেনে শুরু হয়। জানাযায় তারা তাদের অনেক বন্ধু-বান্ধবীকে আমন্ত্রণ করে বিয়েতে থাকার জন্য। সানাই, উলু ও শঙ্খের- এর আওয়াজে চারিদিকে বিয়ে বিয়ে পরিবেশ তৈরি হয়ে উঠলো। অবশেষে দুই পরিবারের মধ্যেও শুরু হয়ে যায় তোড়জোড় বিউটির বাবা,মা, ঠাকুরদা,ঠাকুরমা ও দাদা সামিল হয়ে যায় বিয়েতে।বিউটির বাবা বিশ্বজিৎ দাস ও মা কাকলী দাস শুনেই প্রায় ৫০ জনের খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করে ফেলে বিয়ের রাতে। অপর দিকে অঙ্কিতার মা দেবযানী দেবী বলেন যে মেয়ের এমন কান্ডে তিনি খুব খুশী। তিনি বউভাতের ব্যবস্থার তোড়জোড় শুরু করে দেন। গ্রামের চারিদিক থেকে পুতুলের বিয়ে দেখতে আসার হিড়িক পড়ে যায়। শিক্ষক প্রদীপ্ত সরকার বলেন যে ছাত্রীদের এমন রোমাঞ্চকর কান্ডে প্রথমে রেগে গেলেও পরবর্তীতে বেশ খুশি।

দেশ ও এই সময়

24×7 NATIONAL NEWS PORTAL

One thought on “পুতুলের বিয়েকে কেন্দ্র করে বৃহৎ অনুষ্ঠানের চেহারা নিলো সন্দেশখালির ঝুপখালিতে

  • July 24, 2019 at 8:49 pm
    Permalink

    ভালো লাগল পড়ে। আমাদের ছোটবেলায় বোনেদের পুতুল খেলার সংসারে আর তাদের পুতুলের বিয়েতে আমরা, ভাইরা, হতাম তলপিবাহক। দিল্লীতে আসার পরও, পঞ্চাশ-ষাটের দশকে পুতুলের বিয়ে উপলক্ষে প্রায়ই বেশ ভালমন্দ খাওয়ার সুযোগ ঘটত! বাঙালী বোধহয় বড্ড তাড়াতাড়ি খুব বেশী আধুনিক আর সাহেব হয়ে গেল। তাও আবার ১৯৪৭-এর পর!

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *