পশ্চিমবঙ্গের লটারীর বাজার ধরতে খুচরো বিক্রেতাদের অভিনব সুযোগ দিচ্ছে রাজশ্রী লটারী

দেশ ও এই সময় নিউজ ডেস্ক :পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিচালিত রাজ্য লটারী যখন বিভিন্ন কারণে প্রতিযোগিতায় পিছু হটছে, ঠিক তখন গোয়া রাজ্য লটারী-র অন্যতম টিকিট বিক্রয় কোম্পানী ‘রাজশ্রী লটারী’ পশ্চিমবঙ্গের লটারীর বাজারের দখল নিতে লটারী বিক্রেতাদের অভিনব সুযোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা করল।আজ নিউ ব্যারাকপুরে ‘রাজশ্রী লটারী’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসে ‘রাজশ্রী লটারী’-র ব্যবস্থাপক নির্দেশক তরুণ চোপড়া লটারী বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে জানান, “লটারীর খুচরো বিক্রেতাদের দৈনন্দিন দুর্ভাবনা থেকে মুক্তি দিতে আমরা শুরু করেছি ‘মুক্তি স্কিম’।
এতদিন কোনো লটারীর টিকিট বিক্রয় কোম্পানী আপনাদের যে সুযোগ দেয়নি, আমরা সেটাই দেবো।
আমাদের যে সমস্ত লটারীর খুচরো টিকিট বিক্রেতা মাত্র ১ হাজার লটারীর টিকিট তাঁর দোকানে সাজিয়ে নিয়ে বসবেন, টিকিট বিক্রি হোক চাই না হোক; দিনের শেষে টিকিট বিক্রেতা তাঁর স্টকিস্টের কাছ থেকে ৪০০ টাকা নিয়ে যাবেন।অর্থাৎ ‘রাজশ্রী লটারী’ কোম্পানীর খুচরো লটারী টিকিট বিক্রেতারা মাস গেলে ১২ হাজারটাকানিশ্চিতআয়করতেপারবেন।”প্রসঙ্গতঃ বলে রাখা ভালো, শ্রী চোপড়া যখন একথা বলছেন, তখন মঞ্চে বসে ছিলেন তৃণমূলকংগ্রেস পরিচালিত নিউ ব্যারাকপুর পৌরসভার শাসকদলের দলনেতা প্রবীর (বাবুন) সাহা।দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে লটারীর টিকিট বিক্রির অভিজ্ঞতা নিয়ে মাত্র ৩ মাস হলো পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা শুরু করতে এসেছে ‘রাজশ্রী লটারী’।আজ তরুণ চোপড়া-র কথায় আশান্বিত হয়ে নিউ ব্যারাকপুর শহরের শ দুয়েক লটারীর টিকিট বিক্রেতারাই একযোগে জানান, “টিকিট বিক্রি করতে করতে আমাদের কঙ্কালের মতো চেহারা হয়ে গেছে, তবুও আমাদের জন্য কাউকে ভাবতে দেখিনি। রাজশ্রী লটারীর এই পদক্ষেপ আমাদের অনেকটাই নির্ভাবনায় রাখবে।”

দেশ ও এই সময়

24×7 NATIONAL NEWS PORTAL

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *