দীঘায় যৌন কর্মীদের উৎপাত

উত্তম মাইতি, পূর্ব মেদিনীপুর: কথায় আছে “বাঙালির উঠলো বাই তো দীঘা যাই।” পুজোর ছুটি কিংবা শীতের দিনে মধ্যবিত্ত বাঙালীর কাছে দীঘাই একমাত্র ঘোরার ও মরোরম যায়গা। দীঘার সমুদ্রের মনোরম দৃশ্য আমাদের টেনে নিয়ে যায় তার কাছে। ওল্ড থেকে শুরু করে নিউ দীঘা কিংবা তাজপর থেকে শংকরপুরে লাল কাঁকড়ার দেশ আমাদের পাগলের মতো টানতে থাকে ।

এই সুন্দর যায়গাতেই দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপ বাইকার দের দাপটে পুলিশের কড়া নিয়মে দীঘা এমনিতেই ভালো নেই। তার উপর নেমে এসেছে আরোও এক কালো ছায়া। যৌন কর্মীদের উৎপাত। এরা দিনের বেলায় সমুদ্র সৈকতে দাপিয়ে বেড়ায় চাঁদা তোলে আর সন্ধার পর আর এক রূপ ধরে। এরা স্থানীয় না। বাইরে থেকে এসে পর্যটকদের উপর চালাচ্ছে যৌন নির্যাতন। পর্যটকরা জানাচ্ছে যে এরা অন্ধকারে মানুষ দেখলেই হিংস্র হয়ে ওঠে তাদেরকে জোর করে হোটেলে নিয়ে যেতে চায়। যৌন মিলনে জোর করতে থাকে টাকার জন্য। রেট নিয়ে দরাদরি করে।রাস্তায় গাড়ী দেখলে গাড়ি দাড় করিয়ে তার মধ্যে ঢুকে শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিয়ে আপত্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে টাকা আদায় করতে থাকে এরা।রাস্তা দিয়ে যাওয়া যাত্রীদের ও ছাড়ে না এরা। তাদেরকে টেনে অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে শুরু করে অসভ্য আচরন। তাদের পকেট থেকে তুলে নেয় মানিব্যাগ। এর ফলে পর্যটকদের প্রচুর টাকা নষ্ট হচ্ছে, কারো কারো কাছে বাড়ি ফেরার অর্থ পর্যন্ত থাকছে নাপর্যটকদের দাবী এরা মূলত দীঘা স্টেশান ও অমরাবতী পার্কেত পাশে থাকে বেশিয়াংশ। রাতের ট্রেনে যেসব যাত্রী নামে কিংবা পার্কে যারা ঘুরতে যায় সন্ধ্যা নামলে তাদেরকেই টার্গেট করে এরা।অনেকেই দীঘা পুলিশের কাছে জানিয়েছে। তাতে কোনো সুরহা হয় নি এখনো। যার ফলে পর্যটকরা ভয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে নিজেদের ভালবাসার দীঘা থেকে। পর্যটকদের ভীড় কমছে দিন দিনে এই আতঙ্কেকোনো অন্ধকার জায়গা পেলেই ঝাপিয়ে পড়ে তার উপর আর তার সাথে যৌন নির্যাতন কিংবা হোটেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য জো’র vকরতে থাকে। এর ফলে পর্যটকদের নাজেহাল ও প্রচুর অর্থ নষ্ট হচ্ছে। পরিবারের সাথে গেলে নিজের মান সন্মান ও নষ্ট হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন পর্যটকরা।

দেশ ও এই সময়

24×7 NATIONAL NEWS PORTAL

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *