চতুর্থ আলোচনায় জট কাটার ইঙ্গিত, সমস্যা সমাধানে ৫ সদ্যসের কমিটি

নিজস্ব সংবাদদাতা, বিধাননগর:- মিটতে চলেছে এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘ অনশন। তাঁদের সমস্যা সমাধানে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের৷ ১৫ দিনের মধ্যে পাঁচ সদস্যের কমিটিকে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর৷ রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ারও আশ্বাস দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় মেয়ো রোডে অনশনকারী এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে বিকাশ ভবনে আলোচনায় বসেন। জানা গেছে, এদিনের আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী ও অনশনকারী চাকরিপ্রার্থীরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা দফতরের অধিকারী ও এসএসসি কর্তৃপক্ষ। প্রায় ঘন্টা দেড়েক ধরে এদিন আলোচনার পর এক প্রকার জট কাটার ইঙ্গিত মিলল দুই পক্ষের বক্তব্যে। এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, যোগ্যতা বিসর্জন দিয়ে শিক্ষকতার চাকরি হয় না৷ নিয়োগ হবে আইনি পথে ধরেই৷ পাশাপাশি এদিন শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষা সচিব মনীশ জৈনের নেতৃত্বে পাঁচজনের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, দুদিনের মধ্যে লিখিত ভাবে সমস্ত অভিযোগ জমা করতে হবে, সমস্ত দাবির সত্যতা প্রমানিত হলে পদক্ষেপ নেবে সরকার। ১৫ দিনের মধ্যেই প্রার্থীদের সমস্ত আবেদনের উত্তর দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, বৈঠকে আন্দোলনকারীদের অনশন তুলে নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে অনুরোধ করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গক্রমে এদিন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের এই আন্দোলনে রাজনীতির রঙ লাগানো হচ্ছে বলে ইঙ্গিত করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, চাকরিপ্রার্থীদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। ওয়েট লিস্ট কখনও প্যানেল হতে পারে না৷ প্যানেল ও ওয়েটিং লিস্টে ফারাক আছে। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদক্ষেপ করতে হবে এসএসসিকে। চাকরির ক্ষেত্রে মেধাকে বিসর্জন দেওয়া যাবে না। তবে অসহায় আন্দোলনকারীদের সবাই যোগ্য নয়। অনেকে তাঁদেরকে যোগ্য প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। সেটা তাঁরা ঠিক করছেন না। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীও বিষয়টি এবার সমস্যা সমাধান হবে বলে তাঁরা আশাবাদী। চাকরিপ্রার্থীরা আরও জানায়, সমস্ত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই অনশন চালিয়ে যাওয়া হবে কিনা তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিস্তারিত ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন_

দেশ ও এই সময়

24×7 NATIONAL NEWS PORTAL

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *